একনজরে রাঙ্গাবালী
দেখার কেউ নেই?

ঘাটের সংযোগ সড়কের দশা বেহাল !

এম সোহেল
০১ আগস্ট ২০২৫, ১২:১৪ রাত
রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া-চরইমারশন খেয়াঘাট ও স্পিডবোট ঘাটের ভাঙা সংযোগ সড়ক

একপাশে স্পিডবোট ঘাট, অন্যপাশে খেয়াঘাট। দুই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ ঘাটের সংযোগ সড়কটি ভেঙে আছে দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।

বলছিলাম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া-চরইমারশন খেয়াঘাট ও স্পিডবোট ঘাটের সংযোগ সড়কের কথা। এই ঘাটের সংযোগ সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জোয়ারের পানির স্রোতে সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে সড়কের স্লাব ভেঙে গেছে। একইসঙ্গে ভেঙে পড়েছে সড়ক রক্ষার গাইডওয়ালের একাংশ। ফলে স্বাভাবিক জোয়ারেই সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে এবং ঘাটে যাতায়াত এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, স্পিডবোট ও খেয়াঘাটে যাতায়াতের বিকল্প কোনো সড়ক নেই। তাই বাধ্য হয়ে মানুষ এই ভাঙা সড়ক দিয়েই চলাচল করে। স্থানীয়দের জোরালো দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা হোক, যাতে ঘাটে যাতায়াতের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ফেরদাউস বলেন, এটি রাঙ্গাবালীর মূল প্রবেশপথ। অথচ এখন মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পল্লী চিকিৎসক আল-আমিন বলেন, ‘রাস্তাটি এখন এমন অবস্থায়, যেন পা রাখলেই পিচলে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। চিকিৎসা, ব্যবসা, স্কুল-সব কিছুতেই সমস্যা হচ্ছে।’

শিক্ষার্থী অভিভাবক আনোয়ার দফাদার বলেন, ‘শিশুরা প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাচ্ছে। একটু বৃষ্টিতেই আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।’ অন্য এক অভিভাবক বেল্লাল প্যাদা বলেন, ‘প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে মেয়ে স্কুলে পাঠাই। ঘাটে নামা উঠাও খুব ঝুঁকির হয়ে গেছে।’

ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল পাশা বলেন, ‘আমরা প্রকল্প প্রস্তাব পাঠিয়েছি। কাজ শুরু হলে দুর্ভোগ লাঘব হবে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, ‘প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং বর্তমানে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন। দ্রুতই কাজ শুরুর আশা করছি।’